seo, internet, marketing

অন পেজ এসইও এর গুরুত্বপূর্ণ কিছু ফ্যাক্টর : হাউ ইউ ক্যান ক্র্যাশ ইট

অনপেজ এসইও সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শুধু অফপেজ এসইও করলেন, আর কিছুই করলেন না তাহলে জীবনেও আপনার কন্টেন্ট কোনো সার্চ ইঞ্জিন এ র‍্যাংক করবে না।

বুঝতেই পারছেন অনপেজ এসইও কতটা গুরুত্বপূর্ণ? তো চলুন জেনে নেওয়া যাক এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর।

ফ্যাক্টর:১- টাইটেল ও সাব-টাইটেল


টাইটেল ও সাব-টাইটেল অন পেজ অপটিমাইজেশন এর সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

টাইটেল পড়েই ৯২% ইউজার সিদ্ধান্ত নিবে আপনার আর্টিকেল সে পড়বে কী পড়বে না।

হাউ ইউ ক্যান ক্র্যাশ ইট

•৬০-৭০ স্পেস এ টাইটেল লিখুন। সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন টাইটেল এর মধ্যেই কন্টেন্ট এর ফোকাস কী-ওয়ার্ড দেওয়ার।
•আকর্ষণীয় ফ্রেজ ব্যবহার করুন। যেমনঃ যেভাবে, কেন, কীভাবে, how to, how you can, That the ইত্যাদি।
•সর্বনিম্ন ২-৩ টি সাব-টাইটেল বা সাব-হেডিং ব্যবহার করুন।


ফ্যাক্টর:২- মেটা ডিস্ক্রিপশন

গুগল যখন কিছুর রেজাল্ট শো করে, তখন ওয়েবপেজ এর নিচে ছোট একটা ডিস্ক্রিপশ শো করে। এটা মেটা ডিস্ক্রিপশন।

মেটা ডিস্ক্রিপশন দিলে গুগল প্লাস ভিজিটদের কাছে কন্টেন্ট এর বিষয়বস্তু স্পষ্ট হয়।

হাউ ইউ ক্যান ক্র্যাশ ইট

মেটা ডিস্ক্রিপশন কমপক্ষে ১৭০-১৮০ স্পেস এ লেখার চেষ্টা করুন।
মেটা ডিস্ক্রিপশন এ একটা ফোকাসড কী-ওয়ার্ড দিন।
কমপক্ষে তিনটি অন্যান্য কী-ওয়ার্ড দিন।



ফ্যাক্টর:৩- ইউআরএল স্ট্র্যাকচার



আপনার কন্টেন্ট এর ইউআরএল এর স্ট্যাকচার সার্চ ইঞ্জিনকে অনেকটা বুঝতে সাহায্য করে, আপনার কন্টেন্ট কী নিয়ে লিখা।

হাউ ইউ ক্যান ক্র্যাশ ইট

সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন ইউআরএল ছোট রাখার। অতিরিক্ত বড় কখনই করবেন না। জেনারেলী আমি ৪-৬ ওয়ার্ডের বেশি শব্দের ইউআরএল ব্যবহার করি না।
ফোকাসড কী-ওয়ার্ড দিয়ে ইউআরএল তৈরি করুন।



ফ্যাক্টর:৪- ইন্টার্নাল লিংকিং



ইন্টার্নাল লিংক হলো, আপনার ওয়েবসাইটের প্রতিটি পেজের মধ্যে একটা আরেকটা লিংক করে দেওয়া। এংকর টেক্সট এর মাধ্যমে।

হাউ ইউ ক্যান ক্র্যাশ ইট

আপনি যে কন্টেন্ট পোস্ট করবেন, সেই পোস্টের সাথে সর্বোচ্চ রিলেটেড আরেকটি কন্টেন্ট লিংক করুন।
আমার রিকমেন্ড কমপক্ষে তিনটি ইন্টারনাল লিংক ব্যবহার করুন।



ফ্যাক্টর:৫- পারফরম্যান্স


পারফরম্যান্স মানে হলো আপনার ওয়েবসাইট এর লোডিং টাইম, সম্পুর্ণ পেজ লোড হতে কতসময় নেয় । এটা গুগল এ র‍্যাংকিং এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সাইট লোড হতে টাইম নিলে ইউজার বিরক্ত হয়ে বের

হয়ে যাবে। এতে বাউন্স রেট বৃদ্ধি পাবে।

আর বাউন্স রেট বেশি থাকলে গুগল লাথি মেরে ওয়েবসাইট নিচে নামিয়ে দিবে৷

হাউ ইউ ক্যান ক্র্যাশ ইট
বড় বড় সাইজের ইমেজ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
কোডিং থেকে অপ্রোয়জনীয় কমেন্টগুলো সরিয়ে ফেলুন।
AMP ব্যবহার করুন।



ফ্যাক্টর:৬- মোবাইল অপটিমাইজেশন



মোবাইল অপটিমাইজেশন মানে হলো আপনার ওয়েবসাইট কতটুকু মোবাইল ফ্রেন্ডলি।

অধিকাংশ ভিজিটর মোবাইল থেকে ওয়েবসাইট ভিজিট করে। সুতরাং ওয়েবসাইট মোবাইল ফ্রেন্ডলি না হলে খুব বড় অংকের ভিজিটর হারাতে শুরু করবেন আপনি।

হাউ ইউ ক্যান ক্র্যাশ ইট

রেসপন্সিভ ডিজাইন করুন।
মোবাইল, ডেস্কটপ ও ট্যাবলেট এর জন্য আলাদাভাবে ডিজাইন করুন। এটা করার জন্য এলিমেন্টর প্লাগিং ব্যবহার করুন।
একশন বাটনের মধ্যে কিছুটা দুরত্ব রাখুন।
খেয়াল রাখবেন ছবির সাইজ যেন বেশি বড় না হয়।



কনক্লুশন



তো এই ছিল অন পেজ অপটিমাইজেশন এর ৬ টি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর।

এই ৬ টি ফ্যাক্টর মাথায় রেখে অন পেজ অপটিমাইজেশন করুন।

এসইও সংক্রান্ত যেকোনো কনসালট্যান্ট এর জন্য যোগাযোগ করুন এখানে

আপনার জানামতে আরো কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর থাকলে অনশ্যই কমেন্ট করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *